ব্রেকিং >>
ব্রেকিং >>

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ডে উদ্যোগ নিচ্ছে ডিএসই

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | 34 বার পঠিত | প্রিন্ট

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ডে উদ্যোগ নিচ্ছে ডিএসই
Responsive Ad Banner

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারের বর্তমান অস্থিরতা পর্যালোচনা ও নিরসনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) সদস্যদের সঙ্গে আজ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল ১১টায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং স্থিতিশীল লেনদেন নিশ্চিত করতে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ডিএসই ও সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।

Responsive Ad Banner

বৈঠকের গুরুত্বারোপ:
বৈঠকের শুরুতেই ডিবিএ প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি দূর করতে এ ধরনের মতবিনিময় অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি বলেন, অধিকাংশ ব্রোকার ও প্রতিষ্ঠান চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে; তাই আস্থা ও কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ডিএসই, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বাজারকে দমন নয়, বরং কমপ্লায়েন্ট, প্রাণবন্ত ও বিকাশমান পুঁজিবাজারে রূপান্তর করাই লক্ষ্য।

ডিএসই চেয়ারম্যানের বক্তব্য:
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড (আইপিএফ) নিয়ে বিএসইসির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নতুন আইপিও না আসা এবং ফিক্সড ইনকাম সিকিউরিটিজের সীমিত উপস্থিতি বাজারের অন্যতম দুর্বলতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন বন্ডের লিস্টিং ফি কমানো হয়েছে এবং ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত আইপিও বা ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের আবেদনকারী কোম্পানির প্রথম বছরের লিস্টিং ফি-র ৫০ শতাংশ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তদন্ত ও কমপ্লায়েন্স প্রসঙ্গ:
ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ওপর অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, পরিচালনা পর্ষদ রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের দৈনন্দিন কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করে না, বরং নীতিগত দিকনির্দেশনা দেয়। নির্দিষ্ট অনিয়মের তথ্য পেলেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত বা অনুসন্ধান করা হবে। ২০২৫ সালের কমপ্লায়েন্স ও সার্ভেইল্যান্স সংক্রান্ত কিছু ইন্সপেকশন অমীমাংসিত ছিল, যা বিএসইসিতে রিপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি প্রয়োজন। সেগুলো সম্পন্ন করার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ব্রোকারেজ হাউসে ইন্সপেকশন চলছে।

অস্বাভাবিক লেনদেনের মানদণ্ড:
বক্তারা অস্বাভাবিক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হলেই তা অনিয়ম নয়; বরং লেনদেনের ধরন, মূল্য-প্রভাব, বিনিয়োগকারীর সক্ষমতা ও নির্দেশনা বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন প্রয়োজন।

সদস্যদের প্রতি আহ্বান:
সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, সিসি অ্যাকাউন্ট, শেয়ার বা সম্পদে ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত নিজ উদ্যোগে সমাধান করতে হবে। এ ধরনের ঘাটতি শুধু প্রতিষ্ঠানের নয়, পুরো বাজার ইকোসিস্টেমের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করে।

তিনি বলেন, ‘বাজারকে সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে সব পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।’

তিনি সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা, উদ্বেগ, পরামর্শ ও নতুন ধারণা ডিএসইতে তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং বলেন, সদস্যদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামতের ভিত্তিতেই বাজারের উন্নয়ন ও ভবিষ্যত কার্যক্রম পরিচালনা করতে চায় ডিএসই।

 

Facebook Comments Box

Posted ৭:৫৮ পিএম | মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

sharebazar24 |

এ বিভাগের আরও খবর

মো. সাজিদ খান প্রধান সম্পাদক
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com