নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ | 26 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন সময়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ১৮ পয়সা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস বা জানুয়ারি-জুন ২০২৬ সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩৪ পয়সা।
একই সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ঋণাত্মক ১ টাকা ৪৩ পয়সা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল ১২ টাকা ২৪ পয়সা।
২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬ টাকা ৯৬ পয়সা, যা ২০২৫ সালের ৩০ জুনেও একই পরিমাণ ছিল।
ব্যাংকটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুনের তুলনায় ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিনিয়োগ থেকে মুনাফা ৯৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা কমে যাওয়ায় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে। একই সঙ্গে কমিশন, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন (এক্সচেঞ্জ আর্নিংস) ও ব্রোকারেজ থেকে আয় ৪২ কোটি ৯২ লাখ টাকা কমেছে। এছাড়া আমানত ও প্লেসমেন্টের বিপরীতে মুনাফা পরিশোধ ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বেড়েছে এবং পরিচালন মুনাফা ১২২ কোটি ৭০ লাখ টাকা কমে যাওয়ায় ইপিএসের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
অন্যদিকে, সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) কমার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছে ব্যাংকটি। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আমানত ২৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা কমে যাওয়ায় নগদ অর্থের অন্তঃপ্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া একই সময়ে ৩০ কোটি টাকার মুদারাবা বন্ড পরিশোধ করায় নগদ বহিঃপ্রবাহ বেড়েছে। এর পাশাপাশি বিনিয়োগ থেকে আয় ৯৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা এবং কমিশন, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ও ব্রোকারেজ থেকে আয় ৪২ কোটি ৯২ লাখ টাকা কমে যাওয়াও নগদ প্রবাহ হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।
Posted ১১:৩৯ এএম | বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
sharebazar24 | sajed khan
.
.