নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ | 14 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে ওঠানামার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসে বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দুই কার্যদিবসে সূচকের পতন হয়েছে। ফলে সপ্তাহ শেষে দাম বৃদ্ধির তালিকায় অধিকসংখ্যক প্রতিষ্ঠান স্থান করে নিয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান সূচকগুলোর উত্থান এবং গড় লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।
তবে বড় মূলধনের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ায় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট বাজার মূলধন প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৮৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৭৩টির দাম কমেছে। আর ৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
দাম বাড়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি হলেও সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ১০ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৯২ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ২ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা।
বাজার মূলধনে পতন হলেও মূল্যসূচকে ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৫ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগের সপ্তাহে সূচকটি ২১০ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ০১ শতাংশ বেড়েছিল।
অন্যদিকে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহে ৫ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে। আগের সপ্তাহে সূচকটির উত্থান ছিল ৩৯ দশমিক ৫১ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
এছাড়া বাছাইকৃত ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সপ্তাহজুড়ে সূচকটি ৪ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ২২ শতাংশ বেড়েছে। আগের সপ্তাহে এ সূচকের বৃদ্ধি ছিল ৭২ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
লেনদেনের গতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ২৮৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৫৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
সে হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিদিনের গড় লেনদেন বেড়েছে ১৩১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যা শতাংশের হিসাবে ১১ দশমিক ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
সার্বিকভাবে, বিদায়ী সপ্তাহে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও বড় মূলধনের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর পতনের কারণে ডিএসইর বাজার মূলধনে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার অবচয় হয়েছে।
Posted ৫:২৩ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
sharebazar24 | sajed khan
.
.