নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | 68 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের নাম ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গোয়িং কনসার্ন বা ব্যবসার ধারাবাহিকতা নিয়ে ঝুঁকিসম্পন্ন কোম্পানির তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটির ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করেননি নিরীক্ষক। একই সঙ্গে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোনো শর্তযুক্ত মতামতও দেওয়া হয়নি। এসব বিবেচনায় নিয়ে ডিএসই কোম্পানিটির নাম ঝুঁকির তালিকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে।
এর আগে ডোরিন পাওয়ারের নাম ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকায় প্রকাশ করা হলে তা প্রত্যাহারের জন্য ডিএসই ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। তবে সে সময় আবেদনটির তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি হয়নি। এ নিয়ে শেয়ারবাজারে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। নিয়মিত মুনাফা করা, শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেওয়া এবং ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া একটি কোম্পানিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ব্যবসার ধারাবাহিকতা নিয়ে কোনো ঝুঁকির কথা উল্লেখ না থাকায় অবশেষে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
কেন ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকায় ছিল ডোরিন পাওয়ার
কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ‘ম্যাটেরিয়াল আনসার্টেনটি রিলেটেড টু গোয়িং কনসার্ন’ শীর্ষক একটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১১(৬) অনুসারে ডিএসই ডোরিন পাওয়ারকে নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। একই সঙ্গে ডিএসইর ওয়েবসাইটে গোয়িং কনসার্ন ঝুঁকিসম্পন্ন কোম্পানির তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির নাম প্রকাশ করা হয়।
গোয়িং কনসার্ন বলতে সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সক্ষমতাকে বোঝানো হয়। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এ বিষয়ে অনিশ্চয়তার উল্লেখ থাকলে কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসা, আয় ও আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের পর্যবেক্ষণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে ডোরিন পাওয়ারের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার বিষয়টি ছিল কোম্পানির একক আর্থিক বিবরণী ও সমন্বিত আর্থিক বিবরণীর মধ্যকার পার্থক্যকে কেন্দ্র করে। কোম্পানিটির নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস পরবর্তী সময়ে লিখিত ব্যাখ্যায় জানায়, নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখিত অনুচ্ছেদটি শুধু কোম্পানির একক বা সেপারেট আর্থিক বিবরণীর জন্য প্রযোজ্য ছিল।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের পিপিএর মেয়াদ শেষ হওয়ায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা
নিরীক্ষকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে ডোরিন পাওয়ারের মোট ৬৬ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার তিনটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি বা পিপিএর মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ওই অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়েছিল।
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় মূল কোম্পানির একক আর্থিক বিবরণীতে ভবিষ্যতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রাখার ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। তবে পুরো গ্রুপের ব্যবসায়িক অবস্থার চিত্র ছিল আলাদা।
ডোরিন পাওয়ারের তিনটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বা সাবসিডিয়ারি বৈধ বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির অধীনে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। এসব চুক্তির মেয়াদ ২০৩১ ও ২০৩৭ সাল পর্যন্ত রয়েছে। এ কারণে গ্রুপের সামগ্রিক পর্যায়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে গোয়িং কনসার্ন-সংক্রান্ত কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে নিশ্চিত করেন নিরীক্ষক।
এখানেই কোম্পানির বক্তব্য ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ব্যাখ্যার মধ্যে মূল পার্থক্যটি ছিল। একদিকে মূল কোম্পানির নির্দিষ্ট কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে, অন্যদিকে অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে একক আর্থিক বিবরণীর পর্যবেক্ষণকে পুরো গ্রুপের ব্যবসায়িক সক্ষমতার সঙ্গে এক করে দেখলে কোম্পানির প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে আসে।
ডিএসই ও বিএসইসিতে আবেদন করেও তখন মেলেনি সমাধান
ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকায় নাম প্রকাশের পর ডোরিন পাওয়ার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ডিএসই ও বিএসইসির কাছে আবেদন করে। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরীক্ষা প্রতিবেদনের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদটি মূলত একক আর্থিক বিবরণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যদিকে, গ্রুপের সমন্বিত আর্থিক বিবরণীতে ব্যবসা অব্যাহত রাখা নিয়ে একই ধরনের অনিশ্চয়তা নেই।
তবে সে সময় কোম্পানিটির আবেদন নিষ্পত্তি করে ঝুঁকির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহার করা হয়নি। ফলে ডিএসইর ওয়েবসাইটে ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানি হিসেবে ডোরিন পাওয়ারের নাম থেকে যায়।
এ নিয়ে তখন শেয়ারবাজারে আলোচনা তৈরি হয়। কারণ, ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে ডোরিন পাওয়ারের শেয়ার ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হয়ে আসছিল। কোম্পানিটি নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও দিয়ে আসছিল। এ ছাড়া কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব ও মুনাফার তথ্য ছিল।
সে সময় প্রশ্ন ওঠে, নির্দিষ্ট একটি নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কোনো কোম্পানিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হলে সেই ঝুঁকির প্রকৃতি ও ব্যাপ্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা কতটা জরুরি। কারণ, কোনো প্রতিষ্ঠানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তালিকাভুক্তির কারণ যথাযথভাবে ব্যাখ্যা করা না হলে কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থা সম্পর্কেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্পষ্টতা থেকে যেতে পারে।
মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৫৮ শতাংশ
গোয়িং কনসার্ন ঝুঁকিসম্পন্ন কোম্পানির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আর্থিক সূচকেও উন্নতি করেছে ডোরিন পাওয়ার। ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ৩ পয়সা। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ আয় ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা।
অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা। শতাংশের হিসাবে এ প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ, যা প্রায় ৫৮ শতাংশের সমান।
এ হিসাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডোরিন পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি মুনাফায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। একই সময়ে কোম্পানিটির পরিচালন নগদ প্রবাহেও প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
পরিচালন নগদ প্রবাহ বেড়েছে ৬১ শতাংশ
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডোরিন পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ হয়েছে ১৮ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ সূচকের পরিমাণ ছিল ১১ টাকা ৭৮ পয়সা।
ফলে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বেড়েছে ৭ টাকা ১৮ পয়সা। শতাংশের হিসাবে এ প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৬১ শতাংশ।
পরিচালন নগদ প্রবাহের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থের প্রবাহ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তবে এ সূচক ও শেয়ারপ্রতি আয়ের পাশাপাশি কোম্পানির সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নের জন্য অন্যান্য আর্থিক তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৫৭ টাকা ১২ পয়সা
২০২৬ সালের ৩০ জুন শেষে ডোরিন পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ১২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ৫২ টাকা ৪৫ পয়সা।
সে হিসাবে এক বছরে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে ৪ টাকা ৬৭ পয়সা। শতাংশের হিসাবে এ বৃদ্ধির হার প্রায় ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য, মুনাফা ও পরিচালন নগদ প্রবাহের তথ্য কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে শুধু এসব সূচকের ভিত্তিতে শেয়ারের ভবিষ্যৎ বাজারদর বা বিনিয়োগ থেকে সম্ভাব্য মুনাফা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে ডোরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ। গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। সে অনুযায়ী, ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের অর্থ হলো প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১ টাকা ৫০ পয়সা পাবেন। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। অর্থাৎ, এবার লভ্যাংশের হার আগের বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।
তবে পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদন নিতে হবে। নির্ধারিত রেকর্ড তারিখ অনুযায়ী লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে।
ডোরিন পাওয়ারের বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ করা লভ্যাংশ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
মালিকানা ও মূলধনের চিত্র
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড বিদ্যুৎ খাতের একটি কোম্পানি। তালিকাভুক্তির পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হচ্ছে।
কোম্পানিটির বাজার মূলধন ৫৫৯ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। ফ্রি-ফ্লোট বাজার মূলধন ১৫৮ কোটি ৩৫ লাখ ১ হাজার টাকা। প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮১ কোটি ১১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারসংখ্যা ১৮ কোটি ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯০১টি।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে রয়েছে মোট শেয়ারের ৬৬ দশমিক ৬১ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মালিকানায় রয়েছে ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার।
Posted ১০:৫২ পিএম | সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
sharebazar24 | sajed khan
.
.