সোমবার ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রেকিং নিউজ >>
ব্রেকিং নিউজ >>

শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগে সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 254 বার পঠিত | প্রিন্ট

শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগে সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত
Responsive Ad Banner

দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক সিটি ব্যাংকের একজন পোর্টফোলিও ম্যানেজারের শেয়ার আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বাজারে অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত করার পর চলতি বছরের জুনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই তদন্তে শুধু পোর্টফোলিও ম্যানেজারই নয়, ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান এবং অন্তত তিনজন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরের নামও উঠে আসে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসব অনিয়ম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। তারা কেবল বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে পোর্টফোলিও ম্যানেজারের কাছে অর্থ জমা দিয়েছিলেন। তবে তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ লেনদেন থেকে তারাও সুবিধাভোগী হয়েছেন।

Responsive Ad Banner

১৮ লাখ টাকার বেশি মুনাফা
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সিটি ব্যাংকের কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সানোয়ার খান ব্যাংকের নিজস্ব বিও অ্যাকাউন্ট থেকে তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড-এর ১০ লাখ ইউনিট শেয়ার ১৩ টাকা ৮০ পয়সা দরে কিনেছিলেন। তখন বাজারদর ছিল ১৫ টাকা ৬০ পয়সা। পরে বাজারদরে বিক্রি করে তিনি প্রায় ১৮ লাখ টাকা অবৈধ মুনাফা করেন, যাতে ব্যাংকটির আর্থিক ক্ষতি হয়। একই পদ্ধতি তিনি নিজের আরেকটি অ্যাকাউন্ট এবং স্ত্রীর বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেও চালান।

অন্যান্য শেয়ার লেনদেনেও অনিয়ম
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সানোয়ার খান ও তার স্ত্রী এডিএন টেলিকম, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম, বিডি পেইন্টস-এর শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমেও অনিয়মিত মুনাফা করেছেন। এসব অনিয়ম প্রকাশের পর বিএসইসি ৩ জুন আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে।

পরে ৯ জুলাই সিটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে চিঠি দিয়ে এই লেনদেনের বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ নীতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

শীর্ষ কর্মকর্তাদের নামেও জড়ালো অনিয়ম
বিএসইসির তদন্তে উঠে এসেছে, শুধু সানোয়ার খানই নয়—ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান এবং অন্তত দুইজন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরও অনিয়মিত লেনদেন থেকে মুনাফা করেছেন। গত মাসে কমিশনের তদন্ত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে মন্তব্য চেয়েছে।

তবে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দাবি, এসব অনিয়মের দায়ভার সম্পূর্ণ সানোয়ার খানের। তারা জানান, ট্রেজারি প্রধান ও ডিএমডিরা লেনদেন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না; বরং কেবল বিনিয়োগের জন্য অর্থ দিয়েছিলেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

Facebook Comments Box

Posted ৭:১০ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

sharebazar24 |

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com