নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ২৪ মে ২০২৫ | 205 বার পঠিত | প্রিন্ট
দেশের শেয়ারবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত ৩৪টি কোম্পানির মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬টি কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ ২০২৫) ইপিএস পাওয়া গেছে। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ১১টি কোম্পানির। ডিএসই ও কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এই ১১টি কোম্পানি হলো: একমি ল্যাবরেটরিজ, এম্বি ফার্মা, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস, ফার কেমিক্যাল, ইবনে সিনা, লিবরা ফার্মা, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস, কোহিনূর কেমিক্যাল এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।
একমি ল্যাবরেটরিজ : তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৭৫ পয়সা। ৯ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ২৮ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৮ টাকা ৫৩ পয়সা।
এম্বি ফার্মা : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৮৫ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৮০ পয়সা।
৯ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস ২ টাকা ১৭ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২ টাকা।
এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭৫ পয়সা, আগের বছর ছিল ৫৯ পয়সা।
৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭১ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ২৬ পয়সা।
বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৮ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি ৯৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ৩৮ পয়সা।
ফার কেমিক্যাল : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৮ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ৬ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
৯ মাসে (জুলাই ’২৪ – মার্চ ’২৫) ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২৬ পয়সা।
গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, আগের বছর ছিল ১৮ পয়সা লোকসান।
৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা, যেখানে আগের বছর ছিল ৪ টাকা ১৭ পয়সা।
ইবনে সিনা : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের বছর ছিল ৪ টাকা ৩১ পয়সা।
৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ২ পয়সা, আগের বছর ছিল ১৬ টাকা ৩২ পয়সা।
কোহিনূর কেমিক্যাল : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৩ টাকা ৩৯ পয়সা।
৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৪৩ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৮ টাকা ৯০ পয়সা।
লিবরা ফার্মা: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৭ পয়সা, যেখানে আগের বছর ছিল ৫ টাকা ৬৯ পয়সা লোকসান।
৯ মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা, আগের বছর ছিল ৬ টাকা ৪৪ পয়সা লোকসান।
নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস : তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা, আগের বছর ছিল ১ টাকা।
৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪৯ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩ টাকা ৯ পয়সা।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস : তৃতীয় প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে (কনসোলিডেটেড) ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৫ টাকা ৫৫ পয়সা।
৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ১৫ পয়সা, আগের বছর ছিল ১৮ টাকা ২৪ পয়সা।
Posted ১১:৩৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.