নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৯ মে ২০২৫ | 263 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে তফসিলি ব্যাংক থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ ঋণ সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের মে মাসের ১২ তারিখ পর্যন্ত তফসিলি ব্যাংক থেকে সরকারের বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৬৮ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা।
তবে ব্যাংক থেকে এ সময়ের মধ্যে সরকার আগের নেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪৯ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করেছে। সে হিসেবে নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৬ হাজার ১১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ সরকারের মোট বকেয়া ঋণ প্রায় ৩২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকায়, যা ২০২৪ সালের জুনে ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজস্ব আয় প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়া, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহে স্থবিরতা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় সরকারের ব্যাংকঋণ বাড়ছে।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। পরে তা কমিয়ে ৯৯ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গর্ভনর জানিয়েছিলেন, ব্যাংকিং খাতের চাপ বিবেচনায় এ ঋণ ৯০ হাজার কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।
অন্যদিকে, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা করছে। বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্র ও ট্রেজারি বন্ড বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারে সরকার।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় ৭ হাজার কোটি টাকা কম।
Posted ৭:১৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.