ব্রেকিং >>
ব্রেকিং >>

ব্যাংকে টাকা আছে, তবু উত্তোলন করতে পারছেন না চার আমানতকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | 14 বার পঠিত | প্রিন্ট

ব্যাংকে টাকা আছে, তবু উত্তোলন করতে পারছেন না চার আমানতকারী
Responsive Ad Banner

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ থাকার পরও নিজেদের বৈধ আমানতের টাকা তুলতে পারছেন না শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চার গ্রাহক। চেক জমা দেওয়ার পরও অর্থ পরিশোধ না করায় দিনের পর দিন সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে তাদের। শেষ পর্যন্ত ব্যাংক থেকে কোনো প্রতিকার না পেয়ে নিজেদের জমা করা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী চার আমানতকারী।

নিজেদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ না দেওয়ার ঘটনাকে কেন বেআইনি এবং আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানিয়ে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটটির নম্বর ১৩৬৬৮/২০২৬।

Responsive Ad Banner

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চার আমানতকারী নিজেদের হিসাব থেকে টাকা তোলার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় চেক জমা দেন। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট কারণ না দেখিয়ে শাখা কর্তৃপক্ষ চেকগুলো প্রক্রিয়াজাত ও অর্থ পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন হলেন ময়মনসিংহের ভালুকা শাখার গ্রাহক মো. শামীম আহমেদ। তিনি নিজের হিসাব থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য ৪৮৭১৬৮৪ নম্বরের চেক জমা দিয়েছিলেন। তবে চেক দেওয়ার পরও তাকে টাকা না নিয়েই শাখা থেকে ফিরে যেতে হয়।

একই দিনে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এসএমই শাখায় ৩০ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য চেক জমা দেন নাসিমা বেগম। তাঁর জমা দেওয়া চেকের নম্বর এনএসবি-কে ৭২৩৬৪৩২। তিনিও ব্যাংক থেকে নিজের হিসাবে থাকা অর্থ উত্তোলন করতে পারেননি।

এ ছাড়া মির্জাপুর এসএমই কৃষি শাখার আমানতকারী লাকি আক্তার এবং মির্জাপুর শাখার মোছা. সাথী বেগমও নিজেদের আমানতের টাকা উত্তোলন করতে একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন বলে রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা থেকে নিজেদের অর্থ না পাওয়ার পর চার ভুক্তভোগী বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র এবং আর্থিক সততা ও গ্রাহকসেবা বিভাগকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগও করা হয়। তবে অভিযোগ জানানোর পরও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে কোনো কার্যকর বা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি বলে রিট আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এভাবে সমস্যার কোনো সমাধান না হওয়ায় এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন মেটাতে নিজেদের সঞ্চিত অর্থ উত্তোলনের সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন চার আমানতকারী।

রিট মামলায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে মো. শামীম আহমেদকে আমমোক্তার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি পরিচালনা করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মারুফ উল আবেদ।

Facebook Comments Box

Posted ৯:৪২ পিএম | বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

sharebazar24 |

এ বিভাগের আরও খবর

মো. সাজিদ খান প্রধান সম্পাদক
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com