মঙ্গলবার ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রেকিং নিউজ >>
ব্রেকিং নিউজ >>

বন্ড তহবিলের ব্যবহার খতিয়ে দেখতে বিএসইসির দুই তদন্ত কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫ | 234 বার পঠিত | প্রিন্ট

বন্ড তহবিলের ব্যবহার খতিয়ে দেখতে বিএসইসির দুই তদন্ত কমিটি
Responsive Ad Banner

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বেক্সিমকো গ্রুপের বন্ড থেকে সংগৃহীত তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ২০২১ ও ২০২৪ সালে কোম্পানিটি মোট ৪,৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। এখন কমিশনের লক্ষ্য হলো এই বিপুল অর্থ নির্ধারিত প্রকল্প ও খাতে বিনিয়োগ হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা।

২০২১ সালে বেক্সিমকো ‘গ্রিন সুকুক বন্ড’ ইস্যুর মাধ্যমে ৩,০০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। পরিকল্পনা ছিল তিস্তা ও করতোয়া সোলার প্রকল্পে এই অর্থ বিনিয়োগের, যাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যায়।

Responsive Ad Banner

পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ‘আইএফআইসি গ্যারান্টিড শ্রীপুর টাউনশিপ জিরো কুপন বন্ড’ থেকে আরও ১,৫০০ কোটি টাকা তোলা হয়, যা মূলত আবাসন খাতে বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত ছিল। তবে এ দুই বন্ডের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিএসইসি দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন,

“আগে বন্ড অনুমোদন প্রক্রিয়া যাচাই করা হলেও তহবিল সঠিক খাতে ব্যয় হয়েছে কি না তা দেখা হয়নি। এ কারণে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে কোনো অপব্যবহার হয়ে থাকলে তা শনাক্ত করা যায়।”

প্রথম তদন্ত কমিটি গ্রিন সুকুক বন্ড-এর ক্ষেত্রে ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান, ট্রাস্টি (ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) এবং অডিটর এম জে আবেদীন অ্যান্ড কোং-এর ভূমিকা পর্যালোচনা করবে। দ্বিতীয় কমিটি শ্রীপুর টাউনশিপ জিরো কুপন বন্ড-এর ক্ষেত্রে ট্রাস্টি সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও একই অডিটরের কার্যক্রম খতিয়ে দেখবে।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শ্রীপুর টাউনশিপ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহের পরপরই পরিশোধিত মূলধনের একটি বড় অংশ সরিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে যে বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক বন্ডের প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যাংকগুলোকে জোর করে কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল।

বর্তমানে সুকুক বন্ডধারীরা সুদ পাচ্ছেন, তবে মূলধন ও বাকি সুদ পরিশোধ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এই বন্ডের মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, পরিশোধের জটিলতার কারণে পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের তহবিল যথাযথ খাতে ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

 

Facebook Comments Box

Posted ৫:১০ অপরাহ্ণ | শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

sharebazar24 |

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com