নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫ | 162 বার পঠিত | প্রিন্ট
২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশের বাণিজ্য ঘাটতি ৪.১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১,৯৩৮ কোটি মার্কিন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২,০২২ কোটি ডলার। আমদানি ব্যয় এবং রপ্তানি আয়ের মধ্যকার ব্যবধান কমে আসায় এই ঘাটতি হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সময় দেশে মোট আমদানি হয়েছে ৬,০২৪ কোটি ডলারের পণ্য, বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ৪,০৮৬ কোটি ডলারের পণ্য। ফলে দুইয়ের ব্যবধানে বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হলেও আগের বছরের তুলনায় তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
শুধু বাণিজ্য ঘাটতিই নয়, চলতি হিসাবের (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট) ঘাটতিও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতি ৪৩ কোটি ডলারে নেমে এসেছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে এ ঘাটতি ছিল ৬১২ কোটি ডলার। অর্থাৎ, এক বছরে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমেছে প্রায় ৮৬ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি এবং আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরে আসছে। ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টেও ২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা সামগ্রিক বৈদেশিক লেনদেনে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
ব্যাংক এশিয়ার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক দক্ষতার সঙ্গে আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও রপ্তানি উৎসাহ দিয়েছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা সামগ্রিকভাবে বাণিজ্য ভারসাম্যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “রপ্তানি আয় ৯.৫ শতাংশ ও প্রবাসী আয়ে ২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অপরদিকে, আমদানি দায় পরিশোধে প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪.৭ শতাংশ। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি এবং চলতি হিসাবের ঘাটতি একযোগে কমেছে, যা অর্থনীতির জন্য স্বস্তির বার্তা।”
Posted ১:৪৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.