নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ০৮ জুলাই ২০২৫ | 207 বার পঠিত | প্রিন্ট
বাংলাদেশ ব্যাংক এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মে ও জুন মাসের আমদানি ব্যয়ের বিপরীতে ২ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। তবে এত বড় অংকের পরিশোধ সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য চাপ পড়েনি। বরং রিজার্ভ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, আকু বিল পরিশোধের পরও গ্রস রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিয়মিত আকু বিল পরিশোধের এই ধারা রিজার্ভে সাময়িক প্রভাব ফেললেও সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি বলেন, “আকু বিল পরিশোধের পরও রিজার্ভে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং বৈদেশিক সহায়তা এবং বৈদেশিক ঋণের অর্থ যুক্ত হওয়ায় রিজার্ভ পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক রয়েছে।”
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, প্রতি দুই মাস অন্তর আকুর বিল পরিশোধ করা হয়ে থাকে। এর আগে চলতি বছরের ৬ মে মার্চ-এপ্রিল সময়কালের জন্য ১ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। তখন সাময়িক চাপ তৈরি হলেও সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে।
মুখপাত্র আরও বলেন, “আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণের অর্থ ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভে যুক্ত হওয়ায় নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ (NIR) এখনও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়েছে।”
উল্লেখ্য, আকু একটি আন্তঃদেশীয় পেমেন্ট নিষ্পত্তি ব্যবস্থা যার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, ইরান, মিয়ানমার ও মালদ্বীপ। সংগঠনটির সদরদপ্তর ইরানের তেহরানে অবস্থিত। পেমেন্ট শর্ত পূরণে ব্যর্থতার কারণে শ্রীলঙ্কা আপাতত সদস্যপদ হারিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার এবং BPM6 অনুসারে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। একই সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়নেরও বেশি।
Posted ৯:১৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৮ জুলাই ২০২৫
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.