নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ৩০ আগস্ট ২০২১ | 861 বার পঠিত | প্রিন্ট
তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বাড়ায় ভালো ডিভিডেন্ডের প্রত্যাশায় রয়েছে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বস্ত্র ১৮ কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানিগুলো হলো- তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, মতিন স্পিনিং, মালেক স্পিনিং, আলহাজ টেক্সটাইল, রহিম টেক্সটাইল, ম্যাকসন্স স্পিনিং, মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিং, মেট্রো স্পিনিং, এইচআর টেক্সটাইল, ঢাকা ডাইং, এপেক্স স্পিনিং, ড্রাগন সোয়েটার, তমিজ উদ্দিন টেক্সটাইল, সায়হাম কটন, আনলিমা ইয়ার্ন, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, নিউলাইন ক্লোথিংস এবং হাওয়েল টেক্সটাইল। জুলাই‘২০ থেকে মার্চ’২১ পর্যন্ত ৯ মাসের হিসাব অনুযায়ী এসব কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। যে কারণে এই বছর কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ড বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। ইতি মধ্যে জুন ক্লোজিং হয়েছে বস্ত্র খাতের ৫৮টি কোম্পানির। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় বেড়েছে তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের। গত ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৬ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা। এবার লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় ফিরে আসায় কোম্পানিটি থেকে ডিভিডেন্ড প্রত্যাশা করছে বিনিয়োগকারীরা।
নিচে অন্য কোম্পানিগুলোর ৯ মাসের অবস্থা তুলে ধরা হলো-
আলোচ্য সময়ে মতিন স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ২ টাকা ৩৪ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ১৮ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
প্রথম ৯ মাসে (জুলাই’২০-মার্চ’২১) মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৯৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২২ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ৭৬ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ডিভিডেন্ড দেয়নি।
আলোচ্য সময়ে আলহাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭৬ পয়সা। লোকসানের কারণে গত বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদেরকে কোনো ডিভিডেন্ড দেয়নি। এবার মুনাফা কাটিয়ে ওঠায় কোম্পানিটি থেকে ডিভিডেন্ড প্রত্যাশা করছে বিনিয়োগকারীরা।
আলোচ্য সময়ে রহিম টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৮৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭৩ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ১১ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ১৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮৮ পয়সা। লোকসানের কারণে গত বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদেরকে কোনো ডিভিডেন্ড দেয়নি। এবার মুনাফা কাটিয়ে ওঠায় কোম্পানিটি থেকে ডিভিডেন্ড প্রত্যাশা করছে বিনিয়োগকারীরা।
আলোচ্য সময়ে মেট্রো স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৭ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। এবার মুনাফা কাটিয়ে ওঠায় কোম্পানিটি থেকে আরো বেশি ডিভিডেন্ড প্রত্যাশা করছে বিনিয়োগকারীরা।
আলোচ্য সময়ে এইচআর টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৮৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৩১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৫৩ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে ঢাকা ডাইংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৪৪ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে এপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ টাকা ১৯ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৩২ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে ড্রাগন সোয়েটারের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ২১ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে ওটিসি থেকে ফেরা তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল টাকা ৮১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১৭ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ডিভিডেন্ড দেয়নি।
আলোচ্য সময়ে সায়হাম কটনের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫৬ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১৬ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর দেয়নি।
আলোচ্য সময়ে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১১ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে কুইন সাউথ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৮৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল টাকা ৭৮ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১১ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ৮ শতাংশ ও ৮ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে নিউলাইন ক্লোথিংসের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৩২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ২৮ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৪ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আলোচ্য সময়ে হাউ ওয়েল টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক টাকা ৯১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১ পয়সা। কোম্পানিটি গত বছর ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
শেয়ারবাজার২৪
Posted ৭:২৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ৩০ আগস্ট ২০২১
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.