নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ | 46 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত টেলিযোগাযোগ খাতের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন পিএলসি (জিপি) ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি ১০৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত এই ডিভিডেন্ড পরিশোধিত মূলধনের ওপর ১০৫ শতাংশ হারে প্রদান করা হবে। প্রতি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ১০ টাকা ৫০ পয়সা করে নগদ লভ্যাংশ। ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত প্রথম ছয় মাসের নিরীক্ষিত কর-পরবর্তী মুনাফার পুরোটা থেকেই এই ডিভিডেন্ড বিতরণ করা হবে।
ডিভিডেন্ড পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য আগামী ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখকে রেকর্ড ডেট হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই তারিখে কোম্পানির শেয়ারধারী ব্যক্তিরাই নির্ধারিত লভ্যাংশ পাবেন।
আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ
প্রকাশিত নিরীক্ষিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬২ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৬ টাকা ৫১ পয়সা, যা বছরের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে।
চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রথম ছয় মাসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫২ পয়সায়। গত বছরের একই সময়কালে এই মুনাফা ছিল ১১ টাকা ২১ পয়সা।
অর্থবছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২২ টাকা ২৭ পয়সা, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ২৬ টাকা ৯৪ পয়সার তুলনায় কম।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪১ টাকা ৫১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে এই মূল্য ছিল ৪২ টাকা ১৫ পয়সা।
নগদ প্রবাহ হ্রাসের কারণ
২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি সময়ে সরবরাহকারীদের কাছে পরিশোধের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়াই এই পতনের মূল কারণ।
Posted ১২:৪১ পিএম | বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
sharebazar24 | sajed khan
.
.