নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 28 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর বিনিয়োগে নির্ধারিত সীমা অতিক্রমের অভিযোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি জোরদার করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ প্রেক্ষাপটে ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালিত ফান্ডগুলোর বিনিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে কমিশন।
বিএসইসির ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, ভিআইপিবির অধীন কয়েকটি ফান্ড নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ারে অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমার বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছে—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো মিউচ্যুয়াল ফান্ড তার মোট সম্পদের ১০ শতাংশের বেশি অর্থ একক কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে পারে না। এই সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে এমন বিনিয়োগের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ভিআইপিবির প্রতিটি ফান্ডের বিনিয়োগের বিস্তারিত বিবরণ জমা দিতে হবে, বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ সীমা অতিক্রম করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজে মোট বিনিয়োগের তথ্যও কমিশনে দাখিল করতে হবে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এসব নথিপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ভিআইপিবির ব্যবস্থাপনায় ছয়টি ফান্ড রয়েছে—ভিআইপিবি অ্যাক্সেলেরেটেড ইনকাম ইউনিট ফান্ড, ভিআইপিবি গ্রোথ ফান্ড, ভিআইপিবি ব্যালান্সড ফান্ড, ভিআইপিবি এসইবিএল প্রথম ইউনিট ফান্ড, ভিআইপিবি এনএলআই প্রথম ইউনিট ফান্ড এবং ভিআইপিবি ফিক্সড ইনকাম ফান্ড। আইন অনুযায়ী, ১০০ কোটি টাকার একটি ফান্ড হলে কোনো একক শেয়ারে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা যাবে না।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে বিএসইসির এ ধরনের কঠোর তদারকি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে। কারণ একক শেয়ারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ ঝুঁকি বাড়ায়, যা শেষ পর্যন্ত ইউনিটধারীদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন অবস্থান সম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলেও তারা মনে করেন।
বিএসইসির এক কর্মকর্তা জানান, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় নির্ধারিত সীমা মানা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রতিষ্ঠান আইন ভঙ্গ করে ঝুঁকি সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেবে।
Posted ৯:২৪ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.