নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | 672 বার পঠিত | প্রিন্ট
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ধরাসায়ী সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে থেকে কম দরে শেয়ার ক্রয় করে থাকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। পরবর্তীতে সেই শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি দরে বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। জুলাই মাস জুরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বস্ত্র খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে উল্লেখযোগ্য হরে মুনাফা করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। যে কারণে জুলাই মাসে বস্ত্র খাতের বেশিরভাগ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ। এর আগের মাস অর্থাৎ জুনে সর্বনিম্ন দরে শেয়ার ক্রয় করেছে। পরবর্তীতে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ দরে বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছে। এর ফলে বস্ত্র খাতের যত কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে, তত কোম্পানিতে সাধারণ বিনিয়োগ বেড়েছে। অর্থাৎ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।
ডিএসইর সূত্রে জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র থাতের ৫৮টি কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে গত জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ২৭টি কোম্পানির। কোম্পানিগুলো হলো- অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, আনলিমাইয়ার্ন ডাইং, ডেল্টা স্পিনার্স, দেশ গার্মেন্টস, দুলামিয়া কটন, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং, হামিদ ফেব্রিক্স, কাট্টলি টেক্সটাইল, মেট্রো স্পিনিং, মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিং, এমএল ডাইং, মুন্নু ফেব্রিক্স, নিউ লাইন ক্লোথিংস, প্রাইম টেক্সটাইল, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, রিজেন্ট টেক্সটাইল, রিং সাইন টেক্সটাইলস, সাফকো স্পিনিংস, সায়হাম টেক্সটাইল, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল, তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, ভিএফএস থ্রেড, জাহিন স্পিনিং এবং জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির।
জানা যায়, কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে সাফকো স্পিনিংসের। গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৭১ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৬.৮০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৯১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫৬.২৯ শতাংশ থেকে ৬.৮০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩.০৯ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২১ টাকা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ২০ পয়সাা।
অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-
অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ : গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৯.৮৪ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ১.৩৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭.২১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৯.৪৩ শতাংশ থেকে ১.৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২.০৫ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২০ টাকা ৭০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৭০ পয়সা।
আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৭.৮০ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ২.৪৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৩৪ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৬১.৭৪ শতাংশ থেকে ২.৪৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.২০ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৩ টাকা ২০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৬০ পয়সা।
আনলিমাইয়ার্ন ডাইং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.০২ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ১.৩৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৬৩ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫০.৫৫ শতাংশ থেকে ১.৩৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৯৪ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৭০ পয়সা।
ডেল্টা স্পিনার্স: কোম্পানিটিতে গত জুন মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.৯৫ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫.২১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৭৩.৪৮ শতাংশ থেকে ০.৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪.২২ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৭ টাকা ৯০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৪০ পয়সা।
দেশ গার্মেন্টস: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৬৮ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৫৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪.১১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪০.৩৩ শতাংশ থেকে ০.৫৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.৯০ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৫৩ টাকা ৭০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৬৬ টাকা ৭০ পয়সা।
দুলামিয়া কটন : গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.২০ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.২৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৯৬ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৬২.৭৯ শতাংশ থেকে ০.২৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩.০৩ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৬ টাকা ৪০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৭৮ টাকা ৭০ পয়সা।
ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৮.৭৪ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৬৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮.০৮ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৪.০৬ শতাংশ থেকে ০.৬৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.৭২ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭ টাকা ৪০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৯০ পয়সা।
হামিদ ফেব্রিক্স: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৫.১৬ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৫.৩৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.৮২ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৩.৪৬ শতাংশ থেকে ৫.৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮.৮০ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২০ টাকা ৫০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ২০ পয়সা।
কাট্টলি টেক্সটাইল : গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৩.৪৬শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৫.৯১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৭.৫৫ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৬.১১ শতাংশ থেকে ৫.৮৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১.৯৯ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২৮ টাকা ৩০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৬০ পয়সা।
মেট্রো স্পিনিং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২০.০৮ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৫.৯৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.০৯ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৯.৮৩ শতাংশ থেকে ৫.৯৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫.৮২ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২১ টাকা ২০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ২০ পয়সা।
মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২২.০৪ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৭৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২.৮৩ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৮.২৬ শতাংশ থেকে ০.৭৭শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭.৪৯ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২৭ টাকা ৯০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৪০ পয়সা।
এমএল ডাইং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৭.২৪ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৯১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৬.৩৩ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫২.১৯ শতাংশ থেকে ০.৯১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩.১০ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২১ টাকা ৭০ পয়সা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৩০ পয়সা।
মুন্নু ফেব্রিক্স: কোম্পানিটিতে গত জুন মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৩০ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ২.৩১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০.৯৯ শতাংশে। একই সময়ে বিদেশি ১.৪০ শতাংশ থেকে ০.০১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪১ শতাংশে। উল্লেখিত সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৪.৬২ শতাংশ থেকে ২.৩০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬.৯২ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২০ টাকা ২০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২০ পয়সা।
নিউ লাইন ক্লোথিংস: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৬.৬১ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.২৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৬.৩৮ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫২.৭৮ শতাংশ থেকে ০.২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩.০১ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৪৫ টাকা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ২০ পয়সা।
প্রাইম টেক্সটাইল: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৯৮ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৫.৮৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮.১০ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৫.৭৭ শতাংশ থেকে ৫.৮৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১.৬৫ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২৬ টাকা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৫০ পয়সা।
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৯.২৬ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৯৩ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৫.৬৯ শতাংশ থেকে ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.০২ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৭৩ টাকা ৮০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৮২ টাকা ১০ পয়সাা।
কুইন সাউথ টেক্সটাইল : গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৪.৫৩ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৫.৯২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৬১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩০.৬৭ শতাংশ থেকে ৫.৯২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬.৫৯ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২৩ টাকা ৫০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৪০ পয়সাা।
রিজেন্ট টেক্সটাইল: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৮৮ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.১৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৬৯ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪০.৫৭ শতাংশ থেকে ০.১৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.৭৬ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৮ টাকা ৯০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২০ পয়সাা।
রিং সাইন টেক্সটাইলস: কোম্পানিটিতে গত জুন মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১২.৩৬ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.২৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১২.০৭ শতাংশে। উল্লেখিত সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫৫.০৯ শতাংশ থেকে ১.২৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬.৩৮ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৯ টাকা ৮০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৬০ পয়সাা।
সায়হাম টেক্সটাইল: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২১.০৪ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ২.২৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.১৪ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৫.২৬ শতাংশ থেকে ১.৯০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭.১৬ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৬ টাকা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭০ পয়সাা।
সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৯.১৬ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.২৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮.৮৯ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫০.৮৪ শতাংশ থেকে ০.২৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.১১ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৬ টাকা ৬০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২০ পয়সাা।
তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ০.৩০ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.১২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ০.১৮ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৮.৪৭ শতাংশ থেকে ০.১২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮.৫৯ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৯৭ টাকা ৬০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৯৮ টাকা ৪০ পয়সাা।
তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৫.৪১ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ১.২৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৪.১৪ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৭.৪৭ শতাংশ থেকে ১.২৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮.৭৪ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২০ টাকা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৯০ পয়সাা।
ভিএফএস থ্রেড : গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১২.৯৮ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ৩.৮৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৪ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫৫.৯৬ শতাংশ থেকে ৩.৮৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯.৮০ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২২ টাকা ৫০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩০ পয়সাা।
জাহিন স্পিনিং: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩১.৫৬ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.৮০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০.৭৬ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৭.৩৪ শতাংশ থেকে ০.৮০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮.১৪ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১০ টাকা ২০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮০ পয়সাা।
জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ: গত জুন মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২২.০২ শতাংশ, যা জুলাই মাসে ০.০৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২১.৯৭ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪১.০৪ শতাংশ থেকে ০.০৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১.০৯ শতাংশে। জুন মাসে কোম্পানিটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৭ টাকা ৭০ পয়সাা। জুলাই মাসে যার সর্বোচ্চ দর দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৮০ পয়সাা।
Posted ৭:২৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.