বৃহস্পতিবার ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রেকিং নিউজ >>
ব্রেকিং নিউজ >>

সম্পদমূলের ৪ গুণের বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ৫৭ কোম্পানির শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১ | 3784 বার পঠিত | প্রিন্ট

সম্পদমূলের ৪ গুণের বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ৫৭ কোম্পানির শেয়ার

সম্পদমূল্যের ৪ গুনের বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫৭ কোম্পানির শেয়ার। কোম্পানিগুলো হলো- রেনউইক যেজ্ঞশ্বর, জেমিনি সি ফুড, ম্যারিকো, মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল ম্যাশিনারি লিমিটেড, কেয়া কসমেটিকস, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, রহিমা ফুড, আনোয়ার গালভানাইজিং, রেকিট বেনকিজার, ইউনিলিভার কনজুমার লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, আরএন স্পিনিং, বিডি অটোকার্স, এমবি ফার্মা, বিকন ফার্মা, গ্রামীণ ফোন, ইস্টার্ন ক্যাবলস, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, বার্জার পেইন্টস, দেশ গার্মেন্টস, কহিনুর কেমিক্যাল, রহিম টেক্সটাইল, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, ইস্টার্ন লুবরিক্যান্টস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, সমতা লেদার, বঙ্গজ, সিঙ্গার বিডি, রেনেটা, ওরিয়ন ইনফিউশন, স্টাইলক্র্যাফট, আলহাজ টেক্সটাইল, জেনেক্স ইনফোসিস, ওয়ালটন হাইটেক, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, ফার্মা এইড, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ওয়াটা কেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়অর জেনারেশন, ফাইন ফুডস, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ইমাম বাটন, রংপুর ফাউন্ড্রি, রহিমা ফুড, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি, ন্যাশনাল টি কোম্পানি, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, ডেফোডিল কম্পিউটার্স, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ফরচুন সুজ, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম, সি পার্ল হোটেল এবং দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এর মধ্যে ২৬টি কোম্পানি বিনিয়োগ ঝুঁকিতে রয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫টি কোম্পানির শেয়ার সম্পদমূল্যের চেয়ে ১০ গুনের বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুণ দরে লেনদেন হচ্ছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৮ পয়সা এবং শেয়ার দর ৯৩৯ টাকা।

এদিকে, জেমিনি সি ফুডসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ২১ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৭০ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮১০.৪৭ গুন বেশি।

ম্যারিকোর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৫১ টাকা ৯৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ২ হাজার ৩৮০ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪৫.৮১ গুন বেশি।

মুন্নু এগ্রোর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৪ টাকা ২৮ পয়সা এবং শেয়ার দর ৬০৩ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪২.২২ গুন বেশি।

কেয়া কসমেটিকসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ৮ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৩৮.২৬ গুন বেশি।

সাভার রিফ্র্যাক্টরিজের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৬ টাকা ২৮ পয়সা এবং শেয়ার দর ২১৯ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৩৫.০১ গুন বেশি।

রহিমা ফুডের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৯ টাকা ৫৭ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৮৯ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৩০.২৯ গুন বেশি।

আনোয়ার গালভানাইজিংয়ের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৮৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৯৫ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ২৭.১৮ গুন বেশি।

রেকটি বেনকিজারের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৭০ টাকা ৯৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪ হাজার ৫৩০ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ২৬.৪৯ গুন বেশি।

ইউনিলিভার কনজুমার লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১২৩ টাকা ৮ পয়সা এবং শেয়ার দর ২ হাজার ৯৬৭ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ২৪.১০ গুন বেশি।

স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৯ টাকা ৫৬ পয়সা এবং শেয়ার দর ২১৫ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ২২.৫৮ গুন বেশি।

আরএন স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ৬ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ২০.৬০ গুন বেশি।

বিডি অটোকার্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৬ টাকা ৭৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৩৫ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ১৯.৯২ গুন বেশি।

এমবি ফার্মার শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৪ টাকা ১০ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪২৬ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ১৭.৭০ গুন বেশি।

বিকন ফার্মার শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২০ টাকা ৪ পয়সা এবং শেয়ার দর ২০৩ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ১০.১২ গুন বেশি।

গ্রামীণ ফোনের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩৮ টাকা ৫৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ৩৭৯ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৯.৮২ গুন বেশি।

ইস্টার্ন কেবলসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৫ টাকা ১১ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৯.২৩ গুন বেশি।

প্রভাতী শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২১ টাকা ১১ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৮৭ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮.৮৭ গুন বেশি।

বার্জার পেইন্টসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২০৪ টাকা ২০ পয়সা এবং শেয়ার দর এক হাজার ৭৭৮ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮.৭০ গুন বেশি।
দেশ গার্মেন্টসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২০ টাকা ১ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৭০ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮.৫৩ গুন বেশি।

কহিনুর কেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৪৯ টাকা ৩৪ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪১০ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮.৩১ গুন বেশি।

রহিম টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩৬ টাকা ৮৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৯৮ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮.০৮ গুন বেশি।

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৩ টাকা ৯০ পয়সা এবং শেয়ার দর ১১২ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৮.০৬ গুন বেশি।

ইস্টার্ন লুবরিক্যান্টসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৭৮ টাকা ৪৫ পয়সা এবং শেয়ার দর এক হাজার ৩৪৯ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৭.৫৬ গুন বেশি।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২০ টাকা ১৭ পয়সা এবং শেয়ার দর ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৬.৩৭ গুন বেশি।

লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৪৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ৬৪ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৬.১৮ গুন বেশি।

সমতা লেদারের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৪ টাকা ৩৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ৭৬ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৬.০০ গুন বেশি।

বঙ্গজের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২১ টাকা ২৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ১২২ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৭৩ গুন বেশি।

সিঙ্গার বিডির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩২ টাকা ১৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৮১ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৬৩ গুন বেশি।

রেনেটার শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৪৫ টাকা ৬৫ পয়সা এবং শেয়ার দর এক হাজার ৩৭১ টাকা ৭০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৫৮ গুন বেশি।

ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১২ টাকা ৬৬ পয়সা এবং শেয়ার দর ৭০ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৫৪ গুন বেশি।

স্টাইলক্র্যাফটের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৬ টাকা ৯৬ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৪৭ টাকা ৭০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৪৭ গুন বেশি।

আলহাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৮ টাকা ৪৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪৫ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৪৩ গুন বেশি।

জেনেক্স ইনফৌসিসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং শেয়ার দর ৯৩ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.৩৬ গুন বেশি।

ওয়ালটন হাইটেকের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৬৪ টাকা ৪৮ পয়সা এবং শেয়ার দর এক হাজার ৩৯৭ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.২৮ গুন বেশি।

গ্লোবাল ইন্স্যুেেন্সর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১২ টাকা ২৮ পয়সা এবং শেয়ার দর ৬৩ টাকা ৭০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.১৮ গুন বেশি।

ফার্মা এইডের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৮২ টাকা ৫৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪২৬ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.১৬ গুন বেশি।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৯ টাকা ৫০ পয়সা এবং শেয়ার দর ৯৯ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৫.০৭ গুন বেশি।

ওয়াটা কেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৫৯ টাকা ২ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৯২ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৯৫ গুন বেশি।

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৫৬ টাকা ৬৪ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৭৮ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৯২ গুন বেশি।

ফাইন ফুডসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৮৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ৫২ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৮৪ গুন বেশি।

হাইডেলবার্গ সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৬৮ টাকা ১০ পয়সা এবং শেয়ার দর ৩২৭ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৮০ গুন বেশি।

ইমাম বাটনের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৫ টাকা ৮১ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৭ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৭৮ গুন বেশি।

রংপুর ফাউন্ড্রির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৭ টাকা ৭৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৩২ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৭৬ গুন বেশি।

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৮ টাকা ৫৬ পয়সা এবং শেয়ার দর ৮৬ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ১৮.৫৬ গুন বেশি।

ইবনেসিনার শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৫৬ টাকা ৮৮ পয়সা এবং শেয়ার দর ২৫৩ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৪৫ গুন বেশি।

বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৪০ টাকা ৯৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৭৯ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৩৯ গুন বেশি।

ন্যাশনাল টি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১১৬ টাকা ৭৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ৫১২ টাকা ৭০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৩৯ গুন বেশি।

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৯ টাকা ৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ৮৩ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.৩৬ গুন বেশি।

ডেফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৩ টাকা ৭৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ৫৮ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.২৩ গুন বেশি।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৪১ টাকা ২২ পয়সা এবং শেয়ার দর ১৭৪ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.২২ গুন বেশি।

ফরচুন সুজের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৩ টাকা ৬৩ পয়সা এবং শেয়ার দর ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.২১ গুন বেশি।

ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৪ টাকা ৮৫ পয়সা এবং শেয়ার দর ৬২ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.২১ গুন বেশি।

লাফার্জহোলসিমের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৪ টাকা ৮৯ পয়সা এবং শেয়ার দর ৬২ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.২০ গুন বেশি।

সি পার্ল হোটেলের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৬ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪১ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.০৯ গুন বেশি।

দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১১ টাকা ৬২ পয়সা এবং শেয়ার দর ৪৭ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির সম্পদমূল্যের তুলনায় শেয়ার দর ৪.০৭ গুন বেশি।

শেয়ারবাজার২৪

 

 

 

 

 

 

Facebook Comments Box
বিষয় :

Posted ১০:০৯ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১

sharebazar24 |

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com