সোমবার ৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রেকিং >>
ব্রেকিং >>

রিটার্ন নিয়ে অসন্তুষ্ট বন্ডহোল্ডাররা, বেক্সিমকোর ফেরত শিডিউল দীর্ঘায়িত

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | 74 বার পঠিত | প্রিন্ট

রিটার্ন নিয়ে অসন্তুষ্ট বন্ডহোল্ডাররা, বেক্সিমকোর ফেরত শিডিউল দীর্ঘায়িত
Responsive Ad Banner

নিজস্ব প্রতিবেদক: বেক্সিমকো গ্রুপের শরিয়াহসম্মত সুকুক বন্ড পরিশোধের সময়সীমা আরও আট বছর বাড়িয়ে ২০৩২ সাল পর্যন্ত নেওয়ার উদ্যোগ চলছে। জলবায়ু-কেন্দ্রিক বৈশ্বিক ও স্থানীয় নীতিনির্ধারণে পরিবর্তন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তার কারণে বন্ডহোল্ডারদের দীর্ঘ অপেক্ষা মেনে নিতে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত সুপারিশ আসে ২১ সদস্যের একটি কমিটির প্রতিবেদন থেকে। আইসিবি ট্রাস্টি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে গঠিত ওই কমিটি বন্ডহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা, সোলার প্রকল্প পরিদর্শন এবং বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতামত নিয়ে প্রস্তাব তৈরি করে। গত মাসে জমা পড়া প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিস্থিতি বিবেচনায় সুকুকের মেয়াদ ২০৩২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। তবে করোতোয়া সোলার প্ল্যান্ট ২০২৩ সালের শেষ দিকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে মেয়াদ ২০৩১ সালের ডিসেম্বরেই শেষ করাও সম্ভব।

Responsive Ad Banner

বেক্সিমকোর সুকুক প্রকল্পের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. নুরুল হুদা জানান, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও বন্ডহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিস্থিতির সামগ্রিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তার ভাষায়, “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ব্যবসার ভবিষ্যৎ অবস্থার ওপর নির্ভর করবে।” সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ বিলিয়ন টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল, যা তেস্তা (২০০ মেগাওয়াট) ও করোতোয়া (৩০ মেগাওয়াট) সোলার প্ল্যান্টসহ বস্ত্র বিভাগ সম্প্রসারণে ব্যয় হয়।

এদিকে বন্ডহোল্ডাররা সুকুকের মুনাফার হার বাড়ানোর দাবি তুলেছেন। বিদ্যমান কাঠামোতে বেস রেট ৯ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ১ শতাংশ মুনাফার বিধান আছে। কিন্তু বন্ডহোল্ডারদের দাবি—বেক্সিমকোর নগদ প্রবাহ বিবেচনায় রিটার্ন ৯ শতাংশের বেশি, প্রয়োজনে ১১ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা উচিত। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসলামিক ব্যাংকের বর্তমান ডিপোজিট রেট প্রায় ৯ শতাংশ হওয়ায় সুকুকের বেস রেট এর চেয়ে বেশি হওয়া সমীচীন নয়।

যদিও বেক্সিমকো অতিরিক্ত ডিভিডেন্ড যোগ করে ৯ শতাংশের চেয়েও বেশি রিটার্ন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বাস্তবে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা গত কয়েক বছর ধরে দুর্বল। গত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৩৫৮ মিলিয়ন টাকা লোকসান দেখায়, যেখানে আগের বছর ছিল ৭.১ বিলিয়ন টাকা মুনাফা। এখন ছয় মাসের বন্ড পরিশোধ বাধ্যবাধকতা পূরণে তাদের প্রয়োজন ১.২৬ বিলিয়ন টাকা। আর্থিক দুরবস্থার কারণে মূলধন বাজারের নিয়ম ভঙ্গের দায়ে কোম্পানিকে জরিমানাও গুনতে হচ্ছে।

বর্তমানে বেক্সিমকো বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে বিদ্যুৎ বিক্রির মাসিক আয়—প্রায় ৫০০ মিলিয়ন টাকা—ব্যবহার করছে ঋণ পরিশোধে। পাশাপাশি, তারা আইসিবির কাছে একটি হালনাগাদ পুনর্বিবেচিত পরিশোধ পরিকল্পনা জমা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি চেয়েছে।

Facebook Comments Box

Posted ৬:১৪ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫

sharebazar24 |

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com