নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | 741 বার পঠিত | প্রিন্ট
২০২১-২২ অর্থবছরের ডিভিডেন্ড বাড়তে পারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ৮ কোম্পানির। এগুলো হলো- বারাকা পাওয়ার, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড, ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং লিমিটেড, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং ইউনাইটেড পাওয়ার। সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) এসব কোম্পানির আয় বাড়ায় গত বছরের তুলনায় ডিভিডেন্ড বাড়ার সম্ভাবনার রয়েছে। পক্ষান্তরে একই সময়ে আয় কমে যাওয়ায় এবং লোকসানের কারণে ডিভিডেন্ড কমতে পারে ১৩ কোম্পানির। এগুলো হলো- এসোসিয়েটেড অক্সিজেন লিমিটেড, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল লিমিটেড, ঢাকা ইলেক্ট্রো কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো), ইস্টার্ন লুবরিক্যান্টস লিমিটেড, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড, জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড, যমুনা অয়েল, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল), লুব-রেফ বাংলাদেশ লিমিটেড, মবিল যমুনা, পাওয়ার গ্রিড লিমিটেড, সামিট পাওয়ার লিমিটেড এবং তিতাস গ্যাস লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির। এর মধ্যে ২১টি কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ’২২) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
আয় বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে-
বারাকা পাওয়ার : ৩১ মার্চ, ২০২২ সমাপ্ত ৩য় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৬৮ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১৬ পয়সা।
বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড: তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৩২ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৯৫ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৩৭ পয়সা।
ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৫৩ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ৮৫ পয়সা।
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৬ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩০ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৬ পয়সা।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬ টাকা ৩৭ পয়সা, গত বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫ টাকা ১৫ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ২২ পয়সা।
পদ্মা অয়েল: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ১৭ পয়সা, গত বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫ টাকা ০৩ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১২ পয়সা।
শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২২-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫১ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৫৬ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৯৫ পয়সা।
ইউনাইটেড পাওয়ার: তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫ টাকা ৩৩ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ১৭ পয়সা।
আয় কমে যাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে-
এসোসিয়েটেড অক্সিজেন লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২২-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫৪ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৮ পয়সা।
ঢাকা ইলেক্ট্রো কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১২ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৭ পয়সা।
ইস্টার্ন লুবরিক্যান্টস লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৫ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৬ টাকা ৫৮ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ২৬ টাকা ২৩ পয়সা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৯ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ১৮ পয়সা।
জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৭ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ১০ পয়সা।
যমুনা অয়েল: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ০২ পয়সা, গত বছর একই সময়ে আয় ছিল ৩ টাকা ০১ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৯৯ পয়সা।
খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) : তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৫ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৯৯ পয়সা।
লুব-রেফ বাংলাদেশ লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪০ পয়সা, গত বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে এক টাকা ২ পয়সা।
মবিল যমুনা: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, গত বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ০৯ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৬৬ পয়সা।
পাওয়ার গ্রিড লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ১৭ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৪১ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ২৪ পয়সা।
সামিট পাওয়ার লিমিটেড: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৩ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৩৬ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৫৩ পয়সা।
তিতাস গ্যাস লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬২ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ৭ পয়সা।
সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল লিমিটেড : তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২২-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৬২ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় লোকসান কমেছে ৩ পয়সা।
শেয়ারবাজার২৪
Posted ৭:১১ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.