নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫ | 192 বার পঠিত | প্রিন্ট
ভবিষ্যতে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে যথাযথ আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। এ লক্ষ্যে তিনি দেশের সব মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী এবং সচিবদের কাছে এক চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৭ থেকে ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিটে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নীতি সহায়তা, আইন ও বিধিমালা সংস্কার এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সামিটে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারীরা বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্য, আইসিটি, সমুদ্রবন্দর, টেলিযোগাযোগ ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগ-সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে নীতিমালার ওপর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে পলিসি প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অপরিহার্য। শিল্প, বাণিজ্য, আইসিটি, নৌপরিবহন, পরিবেশ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে এ সমন্বয়ের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
চিঠিতে আরও বলা হয়, অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় ও আলোচনার বাইরে গিয়ে যদি কোনো এককভাবে নীতি প্রণয়ন করা হয়, তবে তা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। বিনিয়োগকারীরা ‘হোল অব গভর্নমেন্ট অ্যাপ্রোচ’ প্রত্যাশা করে, যা একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। রুলস অব বিজনেসের ১০ (১) বিধি অনুযায়ীও ইন্টার মিনিস্ট্রিয়াল কনসালটেশন বাধ্যতামূলক, বিশেষত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর ক্ষেত্রে।
চিঠির শেষ অংশে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, “আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এ বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যদি কোথাও আমার সহায়তা প্রয়োজন হয়, আমি তা দিতে প্রস্তুত আছি।”
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট নীতি প্রণয়ন আরও বাস্তবভিত্তিক এবং অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Posted ১২:৪৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.