নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ | 213 বার পঠিত | প্রিন্ট
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড চলতি অর্থবছরের নয় মাসের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে তিন মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে। এর পেছনে ব্যবস্থাপনা সংকট, শ্রমিক অসন্তোষ ও কর্মী ঘাটতির মতো অন্তর্দ্বন্দ্বপূর্ণ পরিস্থিতিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের এপ্রিলের শেষ দিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হলেও এখনো নিয়ন্ত্রকের অনুমোদন মেলেনি।
তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সর্বশেষ সময়সীমা হলো প্রান্তিক শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে। প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্ব হলে প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা করে জরিমানার বিধান রয়েছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক রদবদল (জুলাই-আগস্ট ২০২৪):
শিল্প মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থায় বড় ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তন হয়, যার ফলে মজুরি প্রদানে বিলম্ব এবং শ্রমিক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।
২০২৪ সালের আগস্টে চারজন স্বাধীন পরিচালক এবং দুজন নির্বাচিত পরিচালক পদত্যাগ করেন, যার ফলে বোর্ড ও কমিটির কাজ পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।
বর্তমানে কোম্পানির অর্থ ও হিসাব বিভাগে রয়েছে মাত্র একজন সহকারী ব্যবস্থাপক ও তিনজন অফিস সহকারী, যা প্রতিদিনের কার্যক্রম এবং আর্থিক প্রতিবেদন প্রণয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান, দুজন নতুন নির্বাচিত পরিচালক, তিনজন নতুন স্বাধীন পরিচালক, একজন নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিব ইতিমধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগিরই একজন নতুন প্রধান আর্থিক কর্মকর্তার (CFO) নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে, ন্যাশনাল টি কোম্পানি তালিকাভুক্তি বিধিমালা ১৭(১) এর আওতায় ১ জুলাই ২০২৪ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত নয় মাসের এবং ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলে তিন মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে।
Posted ৭:২৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
sharebazar24 | sbazaradmin
.
.