শুক্রবার ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবরুদ্ধ অফিস থেকে মামলার কাঠগড়ায়: বিএসইসি কর্মকর্তাদের বিচারে তিন সদস্যের বোর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 258 বার পঠিত | প্রিন্ট

অবরুদ্ধ অফিস থেকে মামলার কাঠগড়ায়: বিএসইসি কর্মকর্তাদের বিচারে তিন সদস্যের বোর্ড
Responsive Ad Banner

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর ইতিহাসে নজিরবিহীন বিদ্রোহী আন্দোলনের ঘটনায় জড়িত ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার তদন্তে অবশেষে তিন সদস্যবিশিষ্ট নতুন তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছে। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে এই বোর্ড গঠন করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর মনোনীত বোর্ড সদস্যরা হলেন—

Responsive Ad Banner

অতিরিক্ত সচিব মো. আজিম উদ্দিন বিশ্বাস, যুগ্ম সচিব সানিয়া আকতার এবং উপসচিব মোহাম্মদ অতুল মন্ডল।

মার্চের অভূতপূর্ব বিদ্রোহ থেকে সূত্রপাত
চলতি বছরের মার্চে বিএসইসির কর্মকর্তারা হঠাৎ করে চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনারের পদত্যাগসহ একাধিক দাবিতে আন্দোলনে নামে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে—তারা বিদ্যুৎ ও সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে প্রায় চার ঘণ্টা কমিশন অফিস অবরুদ্ধ করে রাখেন। অবস্থা এতটাই উত্তপ্ত হয় যে, শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সহায়তায় চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা অফিস ত্যাগ করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা হয় এবং কমিশন বিদ্রোহে জড়িত ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

বরখাস্ত ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ
প্রতিবাদের সময় পরিষেবা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কমিশন গত এপ্রিল মাসে একজন নির্বাহী পরিচালক, তিনজন পরিচালকসহ বিভিন্ন স্তরের ২১ জন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। মূলত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে ৪ মার্চ বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পরই কর্মকর্তাদের ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয় এবং এ আন্দোলন শুরু হয়।

বাইরের বোর্ডের দাবি ও অনুমোদন
কমিশন ৩১ আগস্ট এফআইডি-কে পাঠানো এক চিঠিতে জানায়, ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ৫ ও ৬ মার্চের ঘটনার মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্তে কমিশনের বাইরের সদস্যদের নিয়ে আলাদা বোর্ড গঠন করা জরুরি।

এর আগে, ২৩ ও ২৪ জুলাই অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে কমিশন নিশ্চিত হয় যে প্রতিটি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি আরোপ করা সম্ভব। তাই আলাদা তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ না দিয়ে একটি একক তদন্ত বোর্ডের মাধ্যমেই বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

 

Facebook Comments Box

Posted ১১:৪৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

sharebazar24 |

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
মো. সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

৬০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হেল্প লাইনঃ 01742-768172

E-mail: sharebazar024@gmail.com